বাজাইয়া বাঁশের বাঁশি হরে নিল মন প্রাণ।
বাঁশি বাজায় গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী বাবাজান।
মদন মোহন বাঁশির সুরে, উদাসী করিল মোরে,
রইতে না পারি ঘরে, ছেড়ে আইলাম কুলমান।
বাঁশি বাজে পঞ্চ সুরে, ধ্বনি গেল বিশ্ব জুড়ে।
নাচনা করে বাঁশির সুরে, হুর ফেরেস্তা জ্বিন ইনসান।
আহা কি তার বাঁশির ধ্বনি, যে শুনে সে উদাসিনী।
স্বর্গ মর্ত্ত আকাশ বানি, যে শুনে সে কম্পবান।
মাইজভাণ্ডারে আসন করে, বসিল দুনিয়া জুড়ে,
রহমান মঞ্জিলের ঘরে, খেলে সে কুদরতি শান।
নৈরাকারে আকার হইয়া, মানবরূপে দেখা দিয়া,
ছায়া ছাড়া দেখায় কায়া, আহাদ আহাম্মদ তার প্রমাণ।
দালান কোঠা জমিদারী, সকল যেদিন যাবি ছাড়ি,
সেই দিনে হবে কাণ্ডারী, মুর্শিদ মাওলা দয়াবান।
ভাল মন্দ কি বুঝিনা, স্বর্গ নরক তাই চিনিনা,
এক নামেতে আমিন ফানা, মাইজভাণ্ডারী বাবাজান।