ওগো কামিনী, তোমার রূপ দেখি আমি,
নদীর ঘাটে বসে রই একেলারে, নদীর ঘাটে বসে রই একেলা।
বসিয়া বসিয়া দেখি জলে মারে ঢেউ,
পাছের দিকে চাইয়া দেখি আসেনি মোর কেউ।
গেল দিন মণি,
ঘাটে আসে কামিনী,
জল ভরিতে গেল সন্ধ্যা বেলারে।
সরু সরু মাজা কন্যার আলতা পরা ঠোট,
কোকিলেরি কণ্ঠ তাহার মন করে বেহুশ।
মাজায় কলসী,
মুখে মধুর হাসি,
মন মোহিনী রসের রঙ্গিলারে।
কোমল কোমল হাত কন্যার খঞ্জনেরি পাও,
কপালে তিলকের ফোঁটা দেখতে লাগে ভাও।
বেনী বান্ধা ফুল,
দিছে নয়নে কাজল,
রসিকের মন করিল উতালারে।
আহা কন্যা যৌবন বয়সে নাই কেন স্বামী,
একা ঘাটে জল ভরিতে আসিলা তুমি।
যুবকেরি দল,
তোমার রূপ দেখি পাগল,
স্বামী বিনে ঘটিবে তোর জ্বালারে।
আসো আসো কামিনী আমিনের ঘরে,
আমি হইয়া তোমার স্বামী রাখিব তোরে।
ভজিলে স্বামী,
শুনো ওগো কামিনী,
থাকবেনা যৌবন ডাকাতের জ্বালারে।