মাওলা বাবার রওজা শরীফ শানে মদিনা।
অপছরে লাহুতে খেলে নূরে সপিনা।
আহাদ আহাম্মদ রূপে ভূবনে উদয়,
ধর্ম অবতার সাজে বিশ্ব দয়াময়।
লা শারীকা কালাম বলে ধরা দিলনা।
আহাম্মদের অন্তরালে আপে আল্লা রয়,
তেরশ বৎসরের পরে আহাম্মদ উল্লা হয়।
আসি মাইজভাণ্ডার গুল বাগিচায় করে আস্তানা।
মুহাম্মদ নামে করে নবুয়ত জারী,
বেলায়তে আহাম্মদ উল্লা মাইজভাণ্ডারী।
বিশ্বজুড়ি বেলায়তের উড়ায় নিশানা।
কুলহু আল্লা আহাদ পাবি পর্দা খুলিলে,
কুদুরতের খেলা খেলে থেকে আড়ালে।
লাম আলিফে লীলা দেখায় মীমের বাহানা।
আহাদ আহাম্মদ দেখি মূলেতে একজন,
রহমান হইয়া করে রহমত বর্ষণ।
মানব দেশে ছদ্মবেশে খেলে রব্বানা।
মাইজভাণ্ডার লা-মকামে মাওলা রহমান,
ছায়া ছাড়া কায়া ধরি দেখাইল প্রমাণ,
গাইন লামে মীম দিয়া করে ছলনা।
পাপী তাপীর মুক্তকারী গাউসে রহমান,
রহমান মনজিল খুলিল হইয়া আল-হাসান।
বিপদ বারণ গাউসুল আজম বাবা মাওলানা।
গুল মদিনার রওজাতে নবীজির কবর,
সঙ্গে আছে আবু বকর সিদ্দিক ও ওমর,
মাওলা বাবার রওজাতে সেই নিশানা।
হক ভাণ্ডারী নাম ধরিল গাউসে করতার,
আশেক হইয়া তালাশ করো পাবি তার দিদার।
খাঁটি গুরুর তত্ত্ব ছাড়া রত্ন মিলেনা।
হীন আমিন ধর্মপুরী এই বুঝিল সার,
আল্লাহ রাসূল গাউসুল আজম এক জনের কারবার।
এক বিনে দ্বিতীয় নাস্থি অন্য জানিনা।