আজব কলের ঘর বন্ধুয়ার

আজব কলের ঘর বন্ধুয়ার আজব কলের ঘর, সেই ঘরেতে বিরাজ করে জগত পতি বিশ্বেশ্বর। মূলে তিনশ ষাইট জোড়া, সব জোড়াতে রইয়াছে তার ইস্কুরুপ মারা। দুইশ ছয়খান খুঁটি আনি লাগাইল ঘরের ভিতর। তার আছে বাহাত্তর হাজার, লাইনে লাইনে ফিট করিল সেই খুঁটির মাঝার। পলকে পলকে বন্ধু মিনিটেতে লয় খবর। চার কুতুব ঘরের গাঁথনী, আগুন পানি মাটি […]

আজব কলের ঘর বন্ধুয়ার আজব কলের ঘর,
সেই ঘরেতে বিরাজ করে জগত পতি বিশ্বেশ্বর।

মূলে তিনশ ষাইট জোড়া,
সব জোড়াতে রইয়াছে তার ইস্কুরুপ মারা।
দুইশ ছয়খান খুঁটি আনি লাগাইল ঘরের ভিতর।

তার আছে বাহাত্তর হাজার,
লাইনে লাইনে ফিট করিল সেই খুঁটির মাঝার।
পলকে পলকে বন্ধু মিনিটেতে লয় খবর।

চার কুতুব ঘরের গাঁথনী,
আগুন পানি মাটি বাতাস চামড়াদি ছানি।
বৃষ্টি বাদল হাওয়া তুফান ঢুকেনারে তার ভিতর।

নয় থানা আছে তার ভিতর,
এক থানায় দরজা বন্ধ থাকে বরাবর।
চাইর মোকামে মালের গুদাম মিশিনারি তার ভিতর।

পুলিশ ষোলজনা তার,
দিবানিশি পাহারা দেয় গুদামের মাঝার।
জ্ঞান দারগা থানায় বসি মালামালের লয় খবর।

আছে পাঁচ ইঞ্জিনিয়ার,
নাভি মূলে বসাইয়াছে আগুনের বয়লার।
নিচে আগুন মধ্যে পানি হাওয়ার ষ্টীম তার উপর।

প্রাণ বন্ধুয়া রসিক নাগর,
প্রেম কাছারি বালাখানা কত মনোহর।
মাটির ঘরে সোনার পুরি দেখতে লাগে কি সুন্দর।

আমিন কয় ভেবে অন্তরে,
আপন ঘরে গোপন বন্ধু কে তালাশ করে।
একুশ হাজার ছয়শ বারে চলে ইঞ্জিল বরাবর।

লেখক: আমিনুল হক ধর্মপুরী