মায়া নদী পার হব কেমনে

মায়া নদী পার হব কেমনে, ভাবি মনে।। মায়া নদীর উর্ধ্বধার, নাইকো তাতে কুল কিনার। ঢেউ উঠেছে দক্ষিণা তুফানে। কাম নদীর তরঙ্গভারী, কেমনে ধরিবো পাড়ি, ঢেউ খেলেছে ত্রিবেনীর তিন কোণে।। কাম নদীর তিনটি ধার, মাসে তিন দিন হয় জোয়ার, তিন মহাজন আছে তিন সাধনে। সৃষ্টিকর্তা, পালন কর্তা, তাহার সঙ্গে সংহার কর্তা, চুম্বক পাথর ধরেছে সন্ধানে।। কাম […]

মায়া নদী পার হব কেমনে, ভাবি মনে।।

মায়া নদীর উর্ধ্বধার,
নাইকো তাতে কুল কিনার।
ঢেউ উঠেছে দক্ষিণা তুফানে।
কাম নদীর তরঙ্গভারী,
কেমনে ধরিবো পাড়ি,
ঢেউ খেলেছে ত্রিবেনীর তিন কোণে।।

কাম নদীর তিনটি ধার,
মাসে তিন দিন হয় জোয়ার,
তিন মহাজন আছে তিন সাধনে।
সৃষ্টিকর্তা, পালন কর্তা,
তাহার সঙ্গে সংহার কর্তা,
চুম্বক পাথর ধরেছে সন্ধানে।।

কাম নদীর বান দেখিয়া,
কত নাইয়া নাও বান্ধিয়া।
বৈঠা থুইয়া, পালাইয়াছে ঠানে।
রসিক নাইয়া হইলে পরে,
দুই একজনে যাইতে পারে,
ঢেউ ছাড়িয়া নাও ধরে উজানে।।

দেখিয়া সেই নদীর কাঠাল,
রজ্জবের হয়েছে বেহাল।
বৈঠা ভাঙ্গা মস্তুল খাইল গুনে,
ভাঙ্গা এই তরণী লইয়া
কেমনে যাই নদী বাইয়া।
কুল না পাইয়া কান্দি রাত্র দিনে ভাবি মনে।।

লেখক: রজ্জব দেওয়ান