দাসের ভয় কি আর

দাসের ভয় কি আর, পার কাণ্ডারী গাউসে মাইজভাণ্ডার। যেই দিক হেরি সেই দিক দেখি গাউসে বাবার প্রেম দরবার। মাইজভাণ্ডারে যাইতে আমার মন হইয়াছে রওয়ানা, মাতা পিতা স্ত্রী পুত্র কারো বাঁধা মানে না। মন হইয়াছে উড়াল পাখি পিঞ্জিরায় টিকেনা আর। মাইজভাণ্ডার দরবারে আছে মালিকের ঠিকানা, যে চিনিল সে মজিল ভাবে হইল দেওয়ানা, নারী বাড়ি ধার ধারে […]

দাসের ভয় কি আর, পার কাণ্ডারী গাউসে মাইজভাণ্ডার।
যেই দিক হেরি সেই দিক দেখি গাউসে বাবার প্রেম দরবার।

মাইজভাণ্ডারে যাইতে আমার মন হইয়াছে রওয়ানা,
মাতা পিতা স্ত্রী পুত্র কারো বাঁধা মানে না।
মন হইয়াছে উড়াল পাখি পিঞ্জিরায় টিকেনা আর।

মাইজভাণ্ডার দরবারে আছে মালিকের ঠিকানা,
যে চিনিল সে মজিল ভাবে হইল দেওয়ানা,
নারী বাড়ি ধার ধারে না প্রেম সাগরে দেয় সাতার।

আসল ধনে ধনী যারা বর্তমানে দেখিয়া,
অনুমান বিশ্বাস করেনা রূপের ঘরে মজিয়া।
প্রেম তরঙ্গে খেলা করে নিত্য নতুন গুল বাহার।

মাশুক প্রেমের আশেক যারা স্বর্গ নরক চিনে না,
মাশুক হয় তার মনের মকসুদ মাশুক তার কামনা।
আমার মনে এই ভাসনা করিতে মাশুক দিদার।

যে চিনিল ভাণ্ডারীরে তার নাইরে আর কোন ভয়,
সে পাইয়াছে আউয়াল আখের খোদ মাশুকের পরিচয়,
জ্বিন ও ইনসান হুর ফেরেস্তা তার চরণে তাবেদার।

প্রেমের ফাঁদে সবাই কান্দে হীন আমিন বেচারা,
না চিনিলাম ভাণ্ডারীরে হইয়াছি কপাল পোঁড়া।
ভবের নিশা গেল দিশা পাইলাম নারে কুল কিনারা।

লেখক: আমিনুল হক ধর্মপুরী