মাইজভাণ্ডারে খোদার আসন

মাইজভাণ্ডারে খোদার আসন চিনলিনারে মন, গুরু ধরি তত্ত্ব জানো চিনবিরে তখন। দেখবি গেলে মাইজভাণ্ডারে, দরবার শরীফ তার ভিতরে। খোদে খোদা বিরাজ করে মূলে নিরাঞ্জন। খাঁটি গুরু না হইলে, তত্ত্ব পায়না কোন কালে, অন্ধ লোক গুরু সাজিলে বিফলে মরণ। খাঁটি গুরুর চরণ ধর, বরজখ শনাক্ত কর, খেদমতে সে পাইতে পারো অমূল্য রতন। গুরু গুণে ভাগ্য মিলে, […]

মাইজভাণ্ডারে খোদার আসন চিনলিনারে মন,
গুরু ধরি তত্ত্ব জানো চিনবিরে তখন।

দেখবি গেলে মাইজভাণ্ডারে,
দরবার শরীফ তার ভিতরে।
খোদে খোদা বিরাজ করে মূলে নিরাঞ্জন।

খাঁটি গুরু না হইলে,
তত্ত্ব পায়না কোন কালে,
অন্ধ লোক গুরু সাজিলে বিফলে মরণ।

খাঁটি গুরুর চরণ ধর,
বরজখ শনাক্ত কর,
খেদমতে সে পাইতে পারো অমূল্য রতন।

গুরু গুণে ভাগ্য মিলে,
হৃদয় চক্ষু যাবে খুলে,
অন্ধকারে মানিক জ্বলে, দেখবি নিরাঞ্জন।

আহাদ আহাম্মদি শানে,
প্রকাশ হইয়া এই ভুবনে,
করে সে রহমান নামে, রহমত বর্ষণ।

জাতের ঘরে জাত মিশিলে,
মীমের পর্দা উঠাইলে,
দেখতে পাবি প্রেমের ছলে দুই জনে একজন।

রহমান মঞ্জিলের ঘরে,
পঞ্চ রূপের খেলা করে,
ছায়া ছাড়া কায়া ধরে, অপূর্ব গঠন।

হীন দাস আমিনে বলে,
লাভ কি হবে গুরু হলে,
পরমের ভেদ না জানিলে, শেষে জ্বালাতন।

লেখক: আমিনুল হক ধর্মপুরী