কে যাবি চল ত্বরা করি

কে যাবি চল ত্বরা করি বিল্লালের আযান শুনিতে, নতুন করে দিল আযান বিশ্ববাসীর ঘুম ভাঙ্গিতে।। নবুয়ত খতম হইয়াছে সারা বিশ্ব ঘুমাইয়াছে, দেখে নবী ভাবিয়াছে পুনঃ এল বেলায়তে।। তেরশ বৎসর পরে, বিল্লালে আযান ফুঁকারে, শুনবি গেলে মধুর সুরে মাইজভাণ্ডারীর মিনারাতে।। শুনিয়া বিল্লালের আযান জাগি উঠে সারা জাহান, আবার জিন্দা হল এই দ্বীন ইসলাম মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকাতে।। আবাল […]

কে যাবি চল ত্বরা করি বিল্লালের আযান শুনিতে,
নতুন করে দিল আযান বিশ্ববাসীর ঘুম ভাঙ্গিতে।।

নবুয়ত খতম হইয়াছে সারা বিশ্ব ঘুমাইয়াছে,
দেখে নবী ভাবিয়াছে পুনঃ এল বেলায়তে।।

তেরশ বৎসর পরে, বিল্লালে আযান ফুঁকারে,
শুনবি গেলে মধুর সুরে মাইজভাণ্ডারীর মিনারাতে।।

শুনিয়া বিল্লালের আযান জাগি উঠে সারা জাহান,
আবার জিন্দা হল এই দ্বীন ইসলাম মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকাতে।।

আবাল বৃদ্ধ নর নারী সদায় জপে হক ভাণ্ডারী,
কলবে হয় ফয়েজ জারী মাইজভাণ্ডারী জিকিরিতে।।

দশই তারিখ জিলহজ্বেতে, হজ্ব করে সব আরাফাতে,
হাজ্বীগণে মহব্বতে কোরবানী দেয় যাই মিনাতে।।

সেই নিশান বেলায়তে দশই মাঘ ওরশেতে,
হজ্ব করে সব আনন্দেতে মাইজভাণ্ডারীর পাক জমিতে।।

ভাণ্ডারেতে মিনা বাজার, হইতেছে কুদরতি কারবার,
কোরবানী হয় হাজার হাজার, উট গরু ছাগল তাতে।।

মদিনা নবিজীর ঘরে, সঙ্গেতে ছিদ্দিক ওমর,
দেখবি তোরা সেই রূপের ঘর মওলা বাবার রওজাতে।।

আমিন বলে মনরে কানা, ছেড়ে দাও মায়ার ভাবনা,
ভাণ্ডারে মক্কা মদিনা শীঘ্র চল জেয়ারতে।।

লেখক: আমিনুল হক ধর্মপুরী