হৃদ মন্দিরে কে কাঁদে তোর

হৃদ মন্দিরে কে কাঁদে তোর, শোনরে কান পাতি। হু-হু রবে কাঁদে বুঝি হারাইয়া আপন জাতি।। এক জাতে এক রূপে রসে, ছিল বুঝি মন হরষে। খসে এসে ভিন্ন দেশে, দিবানিশি রয় মাতি।। বিরহেতে যেমন বাঁশি, কাঁদিতেছে দিবানিশি। কে কাটিয়া আনল তারে, হারাইয়া আপন জ্ঞাতি।। যেই দিন রে তুই চিনবি ও-মন, তুই কি ছিলি, ছিলি কার ধন। […]

হৃদ মন্দিরে কে কাঁদে তোর, শোনরে কান পাতি।
হু-হু রবে কাঁদে বুঝি হারাইয়া আপন জাতি।।

এক জাতে এক রূপে রসে, ছিল বুঝি মন হরষে।
খসে এসে ভিন্ন দেশে, দিবানিশি রয় মাতি।।

বিরহেতে যেমন বাঁশি, কাঁদিতেছে দিবানিশি।
কে কাটিয়া আনল তারে, হারাইয়া আপন জ্ঞাতি।।

যেই দিন রে তুই চিনবি ও-মন, তুই কি ছিলি, ছিলি কার ধন।
ভব কারার মোহ সেই দিন, রইবেনা মুক্তা মতি।।

রঙ্গে রসে বিভোর হয়ে, ঘুমের ঘরে রইলি শুয়ে।
রূহের কাঁদন শুনলি না তুই, ভুলিলি সকল স্মৃতি।।

‘মান আরাফা নফছাহু’, ‘ফাকাদ আরাফা রাব্বাহু’।
চিনলে রে তুই নিজকে নিজে, চিনবি খোদার ছেফাতি।।

ভাণ্ডারের ভাণ্ড হতে, এসে সফি এই জগতে।
কাঁদে ভাণ্ডারীকে ডেকে, কবে নিবে কোল পাতি।।

লেখক: সৈয়দ শফিউল বশর মাইজভাণ্ডারী