আরে সাধু ভাই আপন ঘরে

আরে সাধু ভাই, আপন ঘরে গোপন কানাই, সৃষ্টি কর্তা ভবে একজন শরিক ভাগি কেহ নাই।। দেখিয়াছি সাধুকুলে, হরি নামের আগুন জলে, গোপীর ভাব নিয়া চলে, সঙ্গে রাখে মা গোঁসাই।। হরি নাম যে স্মরণ করে, পাপ তাপ ঝৈরা পরে, গিয়া দেখ গুরুর ঘরে, চরণ তলে আছে ঠাঁই।। পঞ্চ তত্ত্ব কর সাধন, দুই কূলে নাই জ্বালাতন, মরার […]

আরে সাধু ভাই, আপন ঘরে গোপন কানাই,
সৃষ্টি কর্তা ভবে একজন শরিক ভাগি কেহ নাই।।

দেখিয়াছি সাধুকুলে, হরি নামের আগুন জলে,
গোপীর ভাব নিয়া চলে, সঙ্গে রাখে মা গোঁসাই।।

হরি নাম যে স্মরণ করে, পাপ তাপ ঝৈরা পরে,
গিয়া দেখ গুরুর ঘরে, চরণ তলে আছে ঠাঁই।।

পঞ্চ তত্ত্ব কর সাধন, দুই কূলে নাই জ্বালাতন,
মরার কি আর হয়রে মরণ, বেলা থাকতে খেলা চাই।।

গুরুর প্রেমে যে জন মজে, দূর্গা কালী নাহি পূঁজে,
নাম কীর্তন গৌরাঙ্গ সাজে, কৈরাছে জগাই মাদাই।।

বানাইয়া মাটির মূর্তি, দূর্গা লৈয়া করে ফূর্তি,
মন্ত্র পূঁজায় ঠাকুর ভর্তি, দুধ কলার আর কমি নাই।।

কাইন্দা কহে জয় কালী, কবুল কর আমার ডালী,
তোমার কাছে পাঠাবলী, যদি আমি রক্ষা পাই।।

ত্রিশের বসন্ত সাধু, পূর্ণ ভাণ্ড ছিল মধু,
সঙ্গে লইয়া আপন মধু, রহিল কোথায় লুকাই।।

গুরু হৈল ব্যথার ব্যথি, বিপদ কালে সঙ্গের সাথী,
তার সনে নাই যার পিরীতি, নরকে তার হবে ঠাঁই।।

যাহার আছে সাধন শক্তি, সার কৈরাছে গুরু ভক্তি,
আবদুল্লারে দিল যুক্তি ভাণ্ডারী বাবা গোঁসাই।।

লেখক: আব্দুল্লাহ বাঞ্ছারামপুরী