কে যাবি চল বৃন্দাবনে

কে যাবি চল বৃন্দাবনে, প্রাণের বাবায় বাজায় বাঁশী, বাঁধ মানেনা আকুল প্রাণে।। বাবায় সিংহাসনে বসি, ফুকিছে তৌহীদের বাঁশী। বিলাইতে প্রেম নিধি ডাকে সবে প্রেমতানে।। “আয়না ধেয়ে আশেকানে”, ডাকছে সবে বাবাজান। প্রেম সুধা পান করাতে মাইজভাণ্ডারী গাউস ধনে।। ডাক শুনেও গাফেল রল, যত দুনিয়ার পাগল। জীবন-জনম বৃথা গেল, নষ্ট হল দোজাহানে।। মাইজভাণ্ডারীর পাগল ‘সফি’, ছন্দ ছাড়া […]

কে যাবি চল বৃন্দাবনে,
প্রাণের বাবায় বাজায় বাঁশী, বাঁধ মানেনা আকুল প্রাণে।।

বাবায় সিংহাসনে বসি, ফুকিছে তৌহীদের বাঁশী।
বিলাইতে প্রেম নিধি ডাকে সবে প্রেমতানে।।

“আয়না ধেয়ে আশেকানে”, ডাকছে সবে বাবাজান।
প্রেম সুধা পান করাতে মাইজভাণ্ডারী গাউস ধনে।।

ডাক শুনেও গাফেল রল, যত দুনিয়ার পাগল।
জীবন-জনম বৃথা গেল, নষ্ট হল দোজাহানে।।

মাইজভাণ্ডারীর পাগল ‘সফি’, ছন্দ ছাড়া ছারা প্রেমের কবি।
বাশীঁর টানে পাগল হয়ে খুঁজিতেছে বাবা ধনে।।

লেখক: সৈয়দ শফিউল বশর মাইজভাণ্ডারী