ওরে বেকুফ কেনরে তুই

ওরে বেকুফ কেনরে তুই, পুজিস গোলাব আতরে। বাবার প্রেমের লেশ না দেখি তোর পাষাণ অন্তরে।। সবার আগে খাড়া হয়ে, আস্তে আস্তে মাথা নেড়ে। ‘ফকির’ হয়েছি আমি দেখাতে চাও লোকেরে।। চাদর ‘তহবন’ সাজ লইলে ফকির না হয় কোন কালে। এস্ক পয়দার চেষ্টা কর বাবার চরণ ধরিয়ে।। দু’পায়ের উপর বসি হুক্কা টান কসি কসি। ভণ্ডামী তোর বের […]

ওরে বেকুফ কেনরে তুই, পুজিস গোলাব আতরে।
বাবার প্রেমের লেশ না দেখি তোর পাষাণ অন্তরে।।

সবার আগে খাড়া হয়ে, আস্তে আস্তে মাথা নেড়ে।
‘ফকির’ হয়েছি আমি দেখাতে চাও লোকেরে।।

চাদর ‘তহবন’ সাজ লইলে ফকির না হয় কোন কালে।
এস্ক পয়দার চেষ্টা কর বাবার চরণ ধরিয়ে।।

দু’পায়ের উপর বসি হুক্কা টান কসি কসি।
ভণ্ডামী তোর বের হইবে, কিছুদিন কাটিলেরে।।

দিলে নাহি কোন হাল ফকিরেতে মার চাল।
নিজে মুরিদ না হয়ে, পরকে মুরিদ কররে।।

যদি বাবার প্রেমিক হও-জিকিরেতে বেখোদ হও।
দু’হাত তুলে ওয়াজদ কর, সত্য প্রেমিক হওরে।।

জিকিরে বেখোদি হালে, বাবার রূপ নেহারিলে।
সফি বলে সেদিন কিছু প্রেমিক বলব তোমারে।।

লেখক: সৈয়দ শফিউল বশর মাইজভাণ্ডারী