মন আমার দেহ ভাণ্ড

মন আমার দেহ ভাণ্ড, আজব কাণ্ড, কোন কারিগর বানাইয়াছে, কথা কয়না, ধরা দেয়না, সেই ভাণ্ডেতে লুকিয়াছে। দেহ ভাণ্ড দশটি জিলা আরো আছে নয় থানা, গোপনে এক থানা আছে সবাই সন্ধান জানে নারে, সবাই সন্ধান জানে না। দারগা বাবু চতুর কত, আসল কথা বলে নাতো, না হইলে মনের মত, যাইতে দেয়না থানার কাছে। তিনশ ষাইটটি গ্রাম […]

মন আমার দেহ ভাণ্ড, আজব কাণ্ড, কোন কারিগর বানাইয়াছে,
কথা কয়না, ধরা দেয়না, সেই ভাণ্ডেতে লুকিয়াছে।

দেহ ভাণ্ড দশটি জিলা আরো আছে নয় থানা,
গোপনে এক থানা আছে সবাই সন্ধান জানে নারে,
সবাই সন্ধান জানে না।
দারগা বাবু চতুর কত,
আসল কথা বলে নাতো,
না হইলে মনের মত, যাইতে দেয়না থানার কাছে।

তিনশ ষাইটটি গ্রাম আছে বাহাত্তর হাজার ঘর বাড়ি,
সেই থানাতে ষোলজনা আছে পুলিশ প্রহরীরে,
আছে পুলিশ প্রহরী।
দশে ছয়ে ষোল জনা,
পুলিশ গণে মিল পরে না।
দারগা বলে কি যন্ত্রণা, পইরা গেলাম মহা পেঁচে।

চারজন আছে কনেষ্টেবল রইয়াছে শহর বেড়ি,
চৌদ্দটি হয় জেলখানা তার দশটি আছে কাছারিরে,
দশটি আছে কাছারি।
দুই দিকেতে দুই মুহুরি,
লেখিতেছে সব ডায়রি।
মন রলি তুই ঘুমে পরি, গেলিনা সেই দেশের কাছে।

পঞ্চ জজে বিচার করে অষ্ট জনা হয় জুরি।
দিবানিশি ভাবনা করে আইনের খাতা বিচারিরে,
আইনের খাতা বিচারি।
আইন দলিলে বিচার করে,
দোষী পাইলে আসামীরে।
ঢুকাইয়া দেয় জেলের ঘরে, জজ সাহেবের রায় রইয়াছে।

সপ্ত তলায় ফুল বিছানা মধ্য তালায় বসিয়া,
খোদ মালিকে খবর লয়রে হাওয়ার টেলি চালাইয়ারে,
হাওয়ার টেলি চালাইয়া।
আমিন বলে মালিকেরে,
ভাণ্ড যদি রাখতে পারে,
দোষী হয়না শেষ বিচারে, হাইকোটের ভয় রয়না শেষে।

লেখক: আমিনুল হক ধর্মপুরী