ছোট কালে প্রেম করিয়া যৌবন কালে না পাইলাম।
কোথায় রইলা প্রাণের বন্ধু কালাচান।
আড় নয়নের ইশারাতে কাছে নিলা ডাকিয়া,
মন প্রাণ হরিয়া নিলা মোহন বাঁশি বাজাইয়া।
কাছে বসি লইয়া বাঁশি মধুর সুরে মারে টান।
আসবে বলে আশা দিয়া বন্ধু গেল চলিয়া।
আসার আশে বসে রইলাম পন্থ পানে তাকাইয়া।
গেল বন্ধু এলনা আর সুখের নিশি অবসান।
আগে যদি জানতাম বন্ধু যাইবা মোরে ছাড়িয়া,
জীবন যৌবন নাহি দিতাম তোর চরণে সপিয়া।
না করিতাম ভালবাসা হারাইতাম না কুলমান।
মাতা পিতা স্ত্রী পুত্র কেহ ভালবাসেনা,
বন্ধুর সনে পীরিত করি পাইলাম কত লাঞ্ছনা।
লোক সমাজে ঘৃণা করে কলঙ্কিনী হইল নাম।
শুইলে স্বপনে দেখি ঘুম আসেনা নয়নে,
তুই বন্ধুর পিরীতির আগুন সর্বদা জ্বলে মনে।
চোখের জলে বুক ভাসে তুই বন্ধু নিঠুর পাষান।
কার কাছে কই মনের ব্যথা দরদী নাই সংসারে,
সকল জ্বালা দূরে যাইত পাইলে প্রাণ বন্ধুরে,
হাটে মাঠে পথে ঘাটে খুইজে বেড়াই নানান স্থান।
আমিন বলে সেই রূপ দেখাই প্রাণ নিয়াছ কাড়িয়া,
সেই ভাবেতে দেখা দিও মরণ কালে আসিয়া।
মরণ আমার ধন্য হবে পাইলে তোমার চরণ খান।