আশেকের ভেদ মাশুক জানে

আশেকের ভেদ মাশুক জানে, মাশুকের ভেদ আশেক পায়। দিলের খবর জানেন বাবা মাওলানায়। পাপী তাপী ত্বরাইতে, জাহের হল এই ভবেতে। মাইজভাণ্ডার দরবারেতে খেলিতেছে আলেক সাঁই। সে তো মানুষেরি রূপ ধরিয়া মানুষকে দেয় পার করায়। গাইন লামে মীম দিয়া, ছলনায় গেলাম বনিয়া। খোদে খোদ রহমান হইয়া খেলিতেছে সর্বদায়। মীমের আড়ে লীলা করে ধ্যান নয়নে দেখা যায়। […]

আশেকের ভেদ মাশুক জানে, মাশুকের ভেদ আশেক পায়।
দিলের খবর জানেন বাবা মাওলানায়।

পাপী তাপী ত্বরাইতে, জাহের হল এই ভবেতে।
মাইজভাণ্ডার দরবারেতে খেলিতেছে আলেক সাঁই।
সে তো মানুষেরি রূপ ধরিয়া মানুষকে দেয় পার করায়।

গাইন লামে মীম দিয়া, ছলনায় গেলাম বনিয়া।
খোদে খোদ রহমান হইয়া খেলিতেছে সর্বদায়।
মীমের আড়ে লীলা করে ধ্যান নয়নে দেখা যায়।

না চিনিলে ভাণ্ডারীরে, না জানি কি হয় হাশরে,
কে ত্বরাবে আশেকিরে, কঠিন নিদানের বেলায়,
রহমানি দামান ছাড়া ছায়া দিবার কেহ নাই।

হক ভাণ্ডারী নাম স্মরণে, কি করে লাখ দুশমনে।
জীবন মরণ দুই জাহানে, সুখের কোন সীমা নাই।
যে চিনিল সে কিনিল মাইজভাণ্ডারের মূল কানায়।

যে চিনিল ভাণ্ডারীরে, ভব জ্বালা গেল দূরে।
নিত্য রসে খেলা করে, প্রেম আনন্দে ভেসে যায়।
কত গাউস কুতুব মুণি ঋষি প্রেম ভাণ্ডারের মধু খায়।

হীন আমিন ভেবে বলে, মাইজভাণ্ডারীর চরণ তলে।
ভক্তি ভাবে প্রাণ সপিলে অধর চাঁদকে ধরা যায়।
দেখবি নূরে খেলা করে, এক বিনে দ্বিতীয় নাই।

লেখক: আমিনুল হক ধর্মপুরী