হায়রে ছাড় ভবের মায়া

হায়রে, ছাড় ভবের মায়া, ভূতে ঘুরায় দিবা নিশি দেশে যাই কি লইয়া।। জন্ম হৈলে মরণ আছে, চাইয়া দেখ শমন পাছে, মরণের ভয় যার হৈয়াছে, কাঁন্দে একা বৈয়া।। সুজন পাখি উজান আছে, ত্রিপিনী বাজারের কাছে, নয়ন ধারা ছাইড়া দিছে, পন্থ হারা হৈয়া।। যে দিন পাখি উইড়া যাবে, রঙ্গের খেলা ভঙ্গ হবে, কাক শিয়ালে লুইট্যা খাবে বুকে […]

হায়রে, ছাড় ভবের মায়া,
ভূতে ঘুরায় দিবা নিশি দেশে যাই কি লইয়া।।

জন্ম হৈলে মরণ আছে, চাইয়া দেখ শমন পাছে,
মরণের ভয় যার হৈয়াছে, কাঁন্দে একা বৈয়া।।

সুজন পাখি উজান আছে, ত্রিপিনী বাজারের কাছে,
নয়ন ধারা ছাইড়া দিছে, পন্থ হারা হৈয়া।।

যে দিন পাখি উইড়া যাবে, রঙ্গের খেলা ভঙ্গ হবে,
কাক শিয়ালে লুইট্যা খাবে বুকে পাড়া দিয়া।।

মুর্শিদের বাজারে যাইয়া, আপন সঙ্গি লও চিনিয়া,
একে একে ছাইড়া মায়া যাবে পলাইয়া।।

পীর মুর্শিদের লাথি খাইয়া, নূরের বাত্তি লও জ্বালাইয়া,
সাধের জনম যায়রে বৈয়া, রৈলি কানা হইয়া।।

আবদুল্লার হৈল সন্ধ্যা, কখন জানি নেয়রে বাইন্ধ্যা,
লাভ হৈলনা তফন পিন্দা, মিছা কথা কৈয়া।।

লেখক: আব্দুল্লাহ বাঞ্ছারামপুরী