শান্তি দেরে মাইজভাণ্ডারী, শান্তি দেরে মাইজভাণ্ডারী।
আমি তোমার অবোধ ছেলে আর কত দুঃখ সইতে পারি।।
একেত আমি অবলা, সইতে না’রি বিচ্ছেদ জ্বালা,
সোনার অঙ্গ হইল কালা প্রেমাগুনে জ্বলি পুড়ি।।
চাতক যেমন মেঘের আশে, দিবানিশি চেয়ে আছে,
কখন জানি বৃষ্টি আসে মম আশা পূর্ণ করি।।
আমিও চাতকির মত, চেয়ে আছি অবিরত,
দুঃখে দুঃখে জীবন গত, না পাইলাম সুখ বিচারি।।
প্রেম করিয়া তোমার সনে, কলঙ্কি হইলাম ভুবনে,
মাতা-পিতা, স্ত্রী-পুত্র হইয়াছি সকলের অরি।।
শ্যাম পিরিতির এত জ্বালা, গলায় কলঙ্কের মালা,
ইচ্ছা হয় প্রাণ বিসর্জিয়া, সব জ্বালা নিবারণ করি।।
ধরিয়া দয়াল নাম, পুরাইতে মনস্কাম,
এত জ্বালা দাওবা কেন, বুঝি না ছল চাতুরী।।
কবে পাব তোমার দয়া, নূরানী কদমের ছায়া,
সর্ব দুঃখ ঘুচাইয়া নিবা মোরে শান্তিপুরী।।
বড় আশা করি মনে, আসিয়াছি শ্রীচরণে,
সুখী কর দানে আমিন যে দয়ার ভিখারী।।