আমার শ্যামের বাঁশি রায়

আমার শ্যামের বাঁশি রায়, আমার শ্যামের বাঁশি রায়। মন প্রাণ হৈরে গেল করি কি উপায়।। নদীর কূলে শ্যামে বসি, বাজায় মোহন বাঁশি। বাঁশির স্বরে মন উদাসী, করি কি হায় হায়।। এতেক বসন্ত ঋত, তাতে কুকিলের গীত। শ্যামের বাঁশির স্বরে ঘরে টিকন না যায়।। কুলিনী কামিনী ছিলেম, শ্যামের প্রেমে বাহির হৈলেম। আমা বাহির কৈরে শ্যামে লুকিল […]

আমার শ্যামের বাঁশি রায়, আমার শ্যামের বাঁশি রায়।
মন প্রাণ হৈরে গেল করি কি উপায়।।

নদীর কূলে শ্যামে বসি, বাজায় মোহন বাঁশি।
বাঁশির স্বরে মন উদাসী, করি কি হায় হায়।।

এতেক বসন্ত ঋত, তাতে কুকিলের গীত।
শ্যামের বাঁশির স্বরে ঘরে টিকন না যায়।।

কুলিনী কামিনী ছিলেম, শ্যামের প্রেমে বাহির হৈলেম।
আমা বাহির কৈরে শ্যামে লুকিল কোথায়।।

বিরহে যোগিনী বেশে, কাঁদি ফিরি দেশে দেশে।
তাঁরে না পাই অন্বেষে, এক বিষম দায়।।

ঘুরিয়ে রাস্তায় বাজারে, এবার যদি না পাই তাঁরে।
নিশ্চয় মরিব মারি কাটারী গলায়।।

বিচ্ছেদে জ্বালা সহিতে না’রি, গাউসুল আজম দয়াকারী।
বলি দেও মকবুলেরে মারি নূরী পায়।।

লেখক: আবদুল গণি কাঞ্চনপুরী

আমার শ্যামের বাঁশি রায়