জানবি যদি দেহ পুরের ঠিকানা

জানবি যদি দেহ পুরের ঠিকানা, হায়রে জানবি যদি দেহ পুরের ঠিকানা। গুরুর চরণ অমূল্য ধন, আগে কর সাধনা।। দেহ ভাণ্ডে মধু ভরা, হইলে রসিক ভোমরা, পিয়ে মধু আত্মহারা, পরম বস্তু হবে মিলন, আর কিরে তোর জন্ম-মরণ, ঘুচে যাবে যাতনা।। খোদ মালিককে দিয়ে ফাঁকি, দেহ ভাণ্ডে আছে লুকি, যার খুলেছে জ্ঞানের আঁখি, সেই বিনে কেউ দেখেনা।। […]

জানবি যদি দেহ পুরের ঠিকানা,
হায়রে জানবি যদি দেহ পুরের ঠিকানা।
গুরুর চরণ অমূল্য ধন, আগে কর সাধনা।।

দেহ ভাণ্ডে মধু ভরা, হইলে রসিক ভোমরা,
পিয়ে মধু আত্মহারা, পরম বস্তু হবে মিলন,
আর কিরে তোর জন্ম-মরণ, ঘুচে যাবে যাতনা।।

খোদ মালিককে দিয়ে ফাঁকি, দেহ ভাণ্ডে আছে লুকি,
যার খুলেছে জ্ঞানের আঁখি, সেই বিনে কেউ দেখেনা।।

যখন খাবি নামের সুধা, দূরে যাবে মায়ার ক্ষুধা,
আপন ঘরে দেখবি খোদা, কাজ কি মক্কা মদিনা।।

তিনশ ষাইটটি হাঁড়ে জোড়া, বাহাত্তুর হাজার রগে ধরা,
ষোল জনে দেয় পাহারা, দরজা তার নয় খানা।।

হা-হু শব্দ নাসিকাতে, আসে যাওয়া দিনে রাতে,
বন্ধ করি রাখলে তাতে, দেখবি রে সেই রূপখানা।।

দেহ ঘরে মসজিদ আছে, আসল নামাজ হয় তাহাতে,
নফছ রূহু ক্বলব ছের, সেই মসজিদে চার কোণা।।

খুফি আকফা মেরাবেতে, ছয় কোণারই মসজিদেতে,
পড়লে নামাজ দেখবি তাতে খোদে খোদা রব্বানা।।

আমিন বলে মনে ভাবি, ভিতরে গোপনের ছবি,
সৎ জ্ঞানে দেখতে পাবি, অসৎ জ্ঞানে দেখেনা।।

গুরুর চরণ পরশ মণি, যে পাইল সে হইল ধনী,
আপন ঘরে সোনার খনি, কর নিঝুম সাধনা।।

লেখক: আমিনুল হক ধর্মপুরী