কি দিয়ে পুঁজিব তোমার যুগল

কি দিয়ে পুঁজিব তোমার যুগল চরণ-রে, পরাণের ধন। কি দিয়ে পুঁজিব তোমার যুগল চরণ।। হীন আমি কি পাব, শ্রীচরণে পুঁজা দেব। তব যোগ্য অনুরূপ, নাহি ত্রিভুবন।। পুষ্পের পোসার হাতে, আসিতাম চরণেতে। কিন্তু পুষ্প ভেট কেনে, আমি বৃন্দাবন।। ভাবনা কল্পনা করি, বহুল দেখেছি ফিরি। তব যোগ্য ভেট আমি, পাইবনা কখন।। না চাহি বাদশাহী শান, না হেরি […]

কি দিয়ে পুঁজিব তোমার যুগল চরণ-রে, পরাণের ধন।
কি দিয়ে পুঁজিব তোমার যুগল চরণ।।

হীন আমি কি পাব, শ্রীচরণে পুঁজা দেব।
তব যোগ্য অনুরূপ, নাহি ত্রিভুবন।।

পুষ্পের পোসার হাতে, আসিতাম চরণেতে।
কিন্তু পুষ্প ভেট কেনে, আমি বৃন্দাবন।।

ভাবনা কল্পনা করি, বহুল দেখেছি ফিরি।
তব যোগ্য ভেট আমি, পাইবনা কখন।।

না চাহি বাদশাহী শান, না হেরি দরবেশী ফন।
কেবল দপ্তরে নাম চাইতেছি লিখন।।

আহারে সুলতান ধন, সেবকেরি নিবেদন।
দৃষ্টিদানে ত্বরাইবা আসিলে শমন।।

মৃতপতি এসে যবে, দৃষ্টিস্থলে দাঁড়াইবে।
ত্রাসযুক্ত মতিছন্ন, হইব তখন।।

তখনি ইবলিশ চোর, নিকটে আসিবে মোর।
ধন লুটি চাহিবে, করিতে জ্বালাতন।।

সর্বময় ধনহীন, আছে এক রত্ন ধন।
ছন্নমতি পেয়ে মোর, হেরিতে রতন।।

থাকিবা আমার কাছে, যেমন হাদী বলিয়াছে।
রঙ্গে হাদী মাতওয়ারা, সঙ্গে গাউসধন।।

হাদীর শমনকালে, যেমন পুষ্প পাঠাইলে।
করিমেরে সেই পুষ্প, করিবে সমর্পন।।

লেখক : বজলুল করিম মন্দাকিনী

কি দিয়ে পুঁজিব তোমার যুগল