সই গো দেখাও বন্ধেরে

সই গো দেখাও বন্ধেরে, মন মৈজেছে যাহার সনে প্রাণে চায় তারে। প্রাণে চায় তারে গো সখি প্রাণে চায় তারে সই গো দেখাও বন্ধেরে।। ভবে যত ঘুইরা বেড়াই, মজার মানুষ দেখতে পাই। কেহ কান্দে বুক ভাসাই নয়ন নীরে।। কালার আগুন যার ভিতরে, লুকাইয়া কি রাখতে পারে। সোনার অঙ্গ মলিন করে চিন্তার জ্বরে।। জীবনে পাবনা যারে, ভুলিতে […]

সই গো দেখাও বন্ধেরে,
মন মৈজেছে যাহার সনে প্রাণে চায় তারে।
প্রাণে চায় তারে গো সখি প্রাণে চায় তারে
সই গো দেখাও বন্ধেরে।।

ভবে যত ঘুইরা বেড়াই, মজার মানুষ দেখতে পাই।
কেহ কান্দে বুক ভাসাই নয়ন নীরে।।

কালার আগুন যার ভিতরে, লুকাইয়া কি রাখতে পারে।
সোনার অঙ্গ মলিন করে চিন্তার জ্বরে।।

জীবনে পাবনা যারে, ভুলিতে না পারি তারে।
যতই ভুলিতে চাই চাপিয়া ধরে।।

হারা হৈয়া লাভে মূলে, জীবনের সিন্ধু কুলে।
ঢুঁড়িতেছি পাব বৈলে সে বহু দূরে।।

সত্য পথে চোর ডাকাইতে, রূপটি দেখায় মনটি নিতে।
গুণটি আছে যার বিছেতে বেড়ায় ভাণ্ডারে।।

প্রাণের বন্ধু কালা সোনা, কে করিল যাদু টোনা।
বৈলে দেও গো তার ঠিকানা কোন মন্দিরে।।

বল গো সখি ধরি পায়, বন্ধু গেছে কোন পাড়ায়।
শীতে মরে আবদুল্লায় হারাইয়া তারে।।

লেখক: আব্দুল্লাহ বাঞ্ছারামপুরী