খোদী যখন মিটে যাবে

খোদী যখন মিটে যাবে-মানুষ হবে এক বাঁশরী। আল্লাহ্ যেই সুর বাজাবে-সুর আসিবে সেই রাগ ধরি।। দেহের মাঝে ছয় লতিফা-সদাই করে জিকরে মাওলা। বাঁশরিরও ছয় ছিদ্র, বাজে সদা ছয় রাগ ধরি।। ছয় রাগ হতে দিন যামিনী-বাজিবে ছত্রিশ রাগিনী। যখন সবই হবে ফানি, পীরের চরণ ধরি।। বাঁশির যেমন ফেকাসে রং-আল্লার অলীরাও তেমন। খোদার জুদাইর আগুনে, ভৌতিক দেহ […]

খোদী যখন মিটে যাবে-মানুষ হবে এক বাঁশরী।
আল্লাহ্ যেই সুর বাজাবে-সুর আসিবে সেই রাগ ধরি।।

দেহের মাঝে ছয় লতিফা-সদাই করে জিকরে মাওলা।
বাঁশরিরও ছয় ছিদ্র, বাজে সদা ছয় রাগ ধরি।।

ছয় রাগ হতে দিন যামিনী-বাজিবে ছত্রিশ রাগিনী।
যখন সবই হবে ফানি, পীরের চরণ ধরি।।

বাঁশির যেমন ফেকাসে রং-আল্লার অলীরাও তেমন।
খোদার জুদাইর আগুনে, ভৌতিক দেহ গেছে মরি।।

ফুৎকারকারী আল্লাহতালা-বংশী হল ওলীউল্লা।
আল্লার কথাই তাদের মাঝে, দুনিয়াতে হল জারী।।

আল্লাহ্, রসূল, পীর, কোরাণ-জুদা না ভাবিও কখনো।
একের সব সবই এক রূপ নিয়ে যা মারামারি।।

তৌহীদের বাঁশরিওয়ালা, বাবাজান দয়াল মাওলা।
আশাতে পড়িয়া আছি, সফি তাঁর চরণে পড়ি।।

লেখক: সৈয়দ শফিউল বশর মাইজভাণ্ডারী