ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম

শানে গাউছে পাক

যে জন গাউসুল আজম সে জন

যে জন গাউসুল আজম সে জন বাগদাদওয়ালা
তাঁর কাধে যাঁর চরণ যুগল মদিনাওয়ালা ।

আবু সালেহ মূসা জঙ্গি ছিলেন যাঁর পিতা,
উম্মুল খায়ের মা ফাতিমা ছিলেন যাঁর মাতা,
দু’জনেই ছিলেন আল্লাহ-নবীর প্রেমে উজ্জ্বলা ॥

যখন ছিল পীরানে পীরের ছেলে বেলা,
বাগদাদ পানে ছুটছে তখন বণিক কাফেলা,
ইলমে দ্বীন অর্জনে যার হৃদয় উতলা ॥

হামদন অঞ্চল পাড়ি দিয়ে ছুটছে কাফেলা,
ষাট জনের এক ডাকাতের দল করিলো হামলা
যাঁর সত্যবাদের গুণে হলো তারা মাতোয়ারা ॥

ডাকাত সর্দার যাঁর কদমে সঁপে মালামাল,
শির ঝুঁকিয়ে বরণ করলো দ্বীন আল্লাহর,
যার পরশে দস্যুরা সব বনে অলি আল্লাহ ॥

সকল অলীর কাঁধে যাঁহার নূরানী চরণ
বলেছিলেন সে যামানার বুজুর্গগণ
জুনাইদ বাগদাদী, হাসান আসকারী প্রমুক অলিউল্লাহ ॥

দেখল জগতবাসী তাঁহার বেলায়তের শান,
ধরায় এসে প্রথম দিন করেননি দুধ পান,
জানা গেল সেদিন ছিল রমজান পহেলা ॥

লেখক : সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম

গাউসুল আযম পে দিল মেরা

গাউসুল আযম পে দিল মেরা কুরবান হে
উনকি কদমোঁ কে সাদকে মেরে জান হে।

সাচ্ছে দিল ছে যো ভি উনকো আওয়াজ দে,
উনকি ইমদাদ কো গাউছ আযায়েঙ্গে।
ইয়ে আকীদা অর ইয়ে মেরা ঈমান হে ।।

গাউসে জিলানী হে বাদশাহে অলি
উনকো দোনো জাহাঁ কি হুকুমত মিলি
উনকা দরকা কা দাবি কা সুলতান হে ।।

জিসপে গাউসুল ওয়ারা কা করম হোগায়া
দূর কর দে হার এক রঞ্জ-ও-গম হো গায়া।
ইয়ে বড়া গাউসুল আযম কা এহসান হে ।।

আয় বড় পীর আবদুল কাদের

আয় বড় পীর আবদুল কাদের জিলানের জিলানী,
তোমারি নামের গুণে আগুন হয়ে যায় পানি।

জন্ম তোমার জিলানেতে তরিকা হয় কাদেরিয়া,
আবু ছালেহ মুছা জঙ্গি হলেন যে তোমার পিতা,
উম্মুল খায়ের মা ফাতেমা তোমার হয় জননী।

ষাট বৎসর বয়সেতে গর্ভে ধরেন ফাতেমা,
খবর শুনে মহাখুশি হলেন গো তোমার পিতা,
শেষ বয়সে সন্তান আশায়, খুশি জনক-জননী।।

প্রথম মাসেতে স্বপ্নে এলেন বিবি মা হাওয়া,
শুন শুন শুন ওগো- উম্মুল খায়ের ফাতমা,
তোমার কোলে আসবেন যিনি, গাউসুল আজম নাম শুনি।।

দ্বিতীয় মাসেতে এলেন বিবি সারাহ্ জননী,
শুন ওগো মা ফাতেমা, শুন হোসাইন নন্দিনী,
তোমার ঘরে পয়দা হবে, মারেফতের খনি।।

তৃতীয় মাসের কালে এলেন বিবি আছিয়া,
শুন ওগো মা ফাতেমা, শুন তুমি মন দিয়া,
তোমার ঘরে বসে আছেন, ভেদের মালিক হয় যিনি।।

চার মাসের কালে মরিয়ম,পঞ্চমে তে খাদিজা,
ছয় মাসে দিলেন খবর, মা আয়েশা আসিয়া,
তোমার গর্ভে পয়দা হবে অলীকুল শিরোমণি।।

লেখক : আল্লামা হাফেজ এম আব্দুল জলিল

অলি দিগের রাজা মহারাজ

অলি দিগের রাজা মহারাজ, লও মোদের সালামখানি,
আব্দুল কাদের জিলানী।
কৃপা করে রাখ মোদের লাজ, ওগো কুতুবে রাব্বানি
আব্দুল কাদের জিলানী।

রাসূলে পাকের তুমি পেয়ারা, মওলা আলীর নয়ন তারা,
মা ফাতেমার প্রাণের দুলাল, হাসান হুসাইনের জিগরপাড়া।
সর্বগুণে গুণময়ী তুমি মেহবুবে সুবহানি ।।

মুসিবতে পড়ে আমরা, ডাকি তোমায় দস্তগীর
মুহুর্তে উদ্ধার করো মোদের ওগো বড়পীর।
নাই তুলনা বিশ্বে তোমার, পীরানে পীর লাছানী।।

নজদী ওহাবীর ফিতনায় পড়ে, যায় বুঝি মোদের ঈমান,
বেদ্বীন দিগের অত্যাচারে বড়ই মোরা পেরেশান।
পাঞ্জাতনের দোহাই তোমায়, কর মুশকিল আসানী।।

রোজ হাশরের কঠিন দিনে, তুমি যে মোদের আশা
তোমার কৃপায় তরে যাব, আছে মনে ভরসা
তাই তো মোরা নিত্য জপি তো মার ঐ পাক নামখানি।।

লেখক : আখতার আলী আলকাদেরী

সারকারে গাউছে আজম

সারকারে গাউছে আজম, নজরে কারাম খুদারা
মেরা খালি খাসা ভরদো, ম্যায় ফকির হু তুমহারা ॥

ঝোলি কো মেরি ভরদো, ওয়ারনা কাহেগি দুনিয়া
এইছে সাখি কা মাংগতা, ফিরতা হ্যায় মারা, মারা ॥

ইয়ে আদা-এ দস্তগিরি, কোই মেরে দিল ছে পুছে
ওহি আ’গেয়ে মাদাদ কো, ম্যায়নে যব জাহা পুকারা ॥

সবকা কই না কই, দুনিয়া মে আস’রা হে
মেরা বাজুজ তুমহারে, কই নেহি সাহারা ‌‌॥

মওলা আলী কা সদকা, হাসনাইন কা হ্যায় সদকা
মেরি লাজ রাখলো ইয়া গাউছ, মে ফখির হু তুঁমহারা ॥

ইয়ে তেরা করম হ্যায় ইয়া গাউছ, জো বানা লিয়া হ্যায় আপনা
কাহা মুঝসা ইয়ে কামিনা, কাহা সিলসিলা তুমহারা ॥

গাউছে আযম কা দরবার

গাউছে আযম কা দরবার আল্লাহ আল্লাহ কিয়া কেহনা
বাগদাদী নূরী বাজার আল্লাহ আল্লাহ কিয়া কেহনা

তুম হো হামারে হাম হ্যায় তুমহারে তুম হো নবী কে পেয়ারে
হার মুশকিল মে গাউছে আজম টুটে দিলো কে সাহারে
উজড়ো কো কারদে গুলজার আল্লাহ আল্লাহ কিয়া কেহনা ॥

চোর কো পাল ম্যায় ওয়ালি বানায়া নজর ছে বিগড়ী বানায়ী
ডুবি কাশতি বারা বারস কি পাল মে পার লাগায়ী
বুড়িয়া কেহতি থি হার বার আল্লাহ আল্লাহ কিয়া কেহনা ॥

কুতুব আউলিয়া গাউছ কালান্দার এক ছে এক হে বাড়কর
সারে আউলিয়া দেঙ্গে সালামী জায়েঙ্গে গাউছ কে দারপর
উয়ো হ্যায় ওয়ালিও কে সরদার আল্লাহ আল্লাহ কিয়া কেহনা ॥

এইসে গাউছ কা হ্যায় ইয়ে হাফিজ ছুটে না হাত ছে দামান
বিগড়ে কাম বানায়ে আঁকা কুরবান উনপে তান মন
উয়ো করতে হ্যায় বেড়া পার আল্লাহ আল্লাহ কিয়া কেহনা ॥

লেখক : হাফিজ মোহাম্মদ বিলাল

কান্দিসনা আর গাছতলায়

(আশেক) কান্দিসনা আর গাছতলায়
গাউসে পাকের নাম জপিলে আল্লাহ পাওয়া যায়।

গাউছে পাকের নজরে, ডাকাতের দলে
তওবা করে চিরতরে আল্লাহ অলি হইয়ে যায় ।।

গাউছে পাকের দরবারেতে চোর এসেছে চুরি করতে
গাউছে পাকের নজর পেয়ে, আবদাল হইয়ে ফিরে যায় ।।

গাউছে পাকের কেরামতি বুঝা বড় অসীম মতি
মুর্দা মানুষ জিন্দা করে হাতের ইশারায় ।।

খোদাকে ফয্ল ছে হাম

খোদাকে ফয্ল ছে হাম পর হে ছা’য়া গাউছে আ’যম কা,
হামে দো’নোঁ জাহা মে হে ছাহা’রা গাউছে আ’যম কা।

হামারে লা’জ কিছ কে হাত হে বগদা’দ ওয়ালে কে,
মুছি’বাত টা’লদে’না কা’ম কিছ গাউছে আ’যম কা ।।

রাসূলাল্লাহ্ কা দুশমন হে গাউছে পাক কা দুশমন,
রাসূলাল্লাহ্ কা পিয়ারা হে পিয়ারা গউছে আ’যম কা ।।

আমিযোঁ কর চলো তইয়া’র জব মেরে জানাযে কো,
তো লিখ দে’না কফন পর নামওয়ালা গউছে আ’যম কা ।।

লা’হাদ মে জব ফেরেশতে মুজছে পোছি গে তো কেহ্দোঁ গা
আছিরুন কা-দেরী হোঁ না’ম লে’ওয়া গাউছে আ’যম কা ।।

লেখক: আছির ক্বাদেরী

আলে নবী গাউসুল আজম হামারে

আলে নবী গাউসুল আজম হামারে
আলী আওর হোসাইন ও হাসানকে দুলারে

বড়ি শান উনকি, বড়া মরতবা হে
জিছে উনকা দর খাকে-পা মিলগেয়ি হে
খোদা কি কসম, উছকি চমকে সেতারে ।।

মুনাওয়ার হে বোগদাদ, কা জররা জররা
মুনাওয়ার হে সরকার কা পেয়রা রওজা
ওহ ছুনতেছে ছবকি, জু রু কর পুকারে ।।

করে জিছপে গাউস, করম কি নিগাহে
মিলি উছকো ঈমান, কেয়ছি নিরাহে
করে মা’রেফাত ছে ওহ্, হার এক নাজারে ।।

লেখক : আসলাম রাজী

ছুনলো এ পীরোকে পীর

ছুনলো এ পীরোকে পীর, গাউছুল আযম দস্তগীর
বদলো মেরে ভী তক্বদীর, গাউছুল আযম দস্তগীর
(ইয়া গাউছুল আজম আল মদদ, পিরানে পীর আল মদদ
রওশন জমির আল মদদ, ইয়া দস্তগীর আল মদদ)

মে হো তোমহারি দরকা ভিখারি, আয় শাহে বোগদাদ
ওয়াছতা তুমকো পিয়ারে নবীকা, ছুনলো মেরী ফরিয়াদ
থোড় গরদিশ কি যনজির, গাউছুল আযম দস্তগীর ॥

দরছে তুমনে আপনে কিছি মাংগতে কো নেহী হ্যাঁ ঠালা
আলে নবী কা ছদকা তুমনে, ঝুলি মে হে ঢালা
বড় পীর বে নজীর, গাউছুল আযম দস্তগীর ॥

গাউছ পিয়া জিলানি তোমহারে, শান পে মে কোরবান
ম্যায় ভী তোমহারি দরপে আউ, দিল মে হে আরমান
দে দো খাব কি তা ভীর, গাউছুল আজম দস্তগীর ॥

লেখক: রাশেদ পাকিস্তান

শীঘ্রই আরো যোগ করা হবে …

ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম

গাউসুল আযম বড় পীর হজরত আবদুল কাদের জিলানি (র.)'র ওফাত দিবস বিশ্বের মুসলমানদের কাছে ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম’ নামে পরিচিত। ‘ইয়াজদাহম’ ফারসি শব্দ, যার অর্থ এগারো। ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম’ বলতে রবিউস সানি মাসের এগারো-এর ফাতেহা শরিফকে বোঝায়। এই পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম শরিফ ইমামুল আউলিয়া পীরানে পীর গাউসুল আযম দস্তগীর হজরত মহিউদ্দিন আবদুল কাদের জিলানি (র.)-এর স্মরণে পালিত হয়।

উপলক্ষ